google trends india

এলপিজি গ্যাসের সংকটজনক অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার চালু করলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন! স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত পাইপ লাইনের কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত।

বর্তমানে যে যুদ্ধকালীন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে আর তার জন্যই ভারতে গ্যাস সিলিন্ডারের অরাজকতা তৈরি হয়েছে। আগের মতন নির্দিষ্ট সময়ে সীমার মধ্যে গ্যাস ল্যান্ডের বুকিং করলেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছেন। তবে এই রকম অসম বন্টন আটকাতে এবং গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস পিএনজি সরবরাহ আরো দ্রুত করতে কেন্দ্র সরকার স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই পাইপলাইনের পরিকাঠামো কাজ তৈরীর ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়েছেন। যার ফলে স্থানীয় পৌরসভা বা পঞ্চায়েতের অনুমতি ব্যতীত পিএনজি সংস্থাগুলি সরাসরি পাইপলনের কাজ শুরু করতে পারবে। আর এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের আকাল অনেকটাই কমবে।

পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ এর কাজ অনেকদিন ধরে আটকে ছিল। কিন্তু এইরকম যুদ্ধকালীন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার নিজের হাতেই পাইপ লাইনের কাজ শুরু করার পরিকাঠামো গঠন করেছেন যাতে খুব দ্রুত গ্রাহকরা পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস নিতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে PNG সংস্থাগুলো খুব দ্রুত পাইপলাইন বসানোর অনুমতি পাবেন।

বিশ্ববাজারে যে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে এবং পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধকালীন উত্তেজনার মধ্যেই দেশের রান্নার গ্যাসের ও পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাসের জন্য সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন 1955 কার্যকর করেছে। এই আইনের মাধ্যমে তা নিয়েও প্রশাসন বা পঞ্চায়েতের অনুমতি ছাড়াই দ্রুত পাইপলাইন পরিকাঠামোর অনুমোদন পাবে পিএনজি সংস্থাগুলো এবং তারা খুব তাড়াতাড়ি পাইপ লাইনের মাধ্যমে ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের যোগান বজায় রাখতে পারবে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট ও পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার মাঝে, দেশে রান্নার গ্যাসের (LPG) ও পাইপ গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ কার্যকর করেছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসনিক জট এড়িয়ে কেন্দ্র সরাসরি পাইপলাইন পরিকাঠামোর অনুমোদন দিচ্ছে, যা দ্রুত প্রকল্প রূপায়ণে ও ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের যোগান বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

যদিও প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছিলেন দেশের মধ্যে যার তেল মজুদ রয়েছে তাতে আগামী কয়েক মাস খুব ভালো করে গ্যাসের যোগান সুনিশ্চিত করতে পারবেন। কিন্তু কয়েক দিনের পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। একদিকে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি অন্যদিকে গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং করেও না মেলায় ভুক্তভোগী হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকদের। মুম্বাইয়ের প্রায় ২০% হোটেল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে মালিকরা। অন্যদিকে ব্যাঙ্গালুরু ও অন্যান্য শহরের হোটেল ও রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে যে এরকম চলতে থাকলে প্রত্যেকটি রেস্টুরেন্ট ও হোটেল বন্ধ করে দিতে হবে। আর তার পরই কেন্দ্রীয় সরকার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের আওতায় বলা হয়েছে গৃহস্থের কাজে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক গ্যাস গুলি সরবরাহের জন্য এক শতাংশ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এরপর ৮০ শতাংশ অগ্রাধিকার দিতে হবে বাণিজ্যিক প্রয়োজন ও চা শিল্পকে, অন্যদিকে সত্য শতাংশ অগ্রাধিকার দিতে হবে ফার্টিলাইজার প্লান্ট এবং অন্যান্য রাসায়নিক শিল্পকে।
অর্থাৎ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে LPG গ্যাসের সরবরাহ সুনিশ্চিত করতে PNG সংস্থা গুলিকে খুব দ্রুত পাইপলনের মাধ্যমে সমস্ত পরিকাঠামো গঠন করে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

karmasathi.in@gmail.com

karmasathi.in প্রতিদিন আপনাদের জন্য নিয়ে আসে সরকারি চাকরি, সরকারি যোজনা, স্থানীয় খবর ও প্রশিক্ষণ আপডেট। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সহজ ভাষায় সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দিতে, যাতে আপনারা সব গুরুত্বপূর্ণ খবর সবার আগে পান। karmasathi.in-এর সঙ্গে থাকুন, সবসময় থাকুন আপডেট ও এগিয়ে!

Related Articles

Back to top button