google trends india

দেশে চালু হলো E-পাসপোর্ট। দেখেনিন কি কি সুবিধা থাকবে?

বর্তমান ডিজিটাল যুগে সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাইলেসান। কিন্তু এতদিন ভারতে ডিজিটাল পাসপোর্ট পরিষেবার সুবিধা ছিল না। কিন্তু গোটা বিশ্বজুড়ে ই-পাসপোর্টের জনপ্রিয়তা বাড়ছিল। সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভারতেও সূচনা হলো E-পাসপোর্টের। অর্থাৎ ভারতে এবার ই – পাসপোর্ট পরিষেবা।

E-পাসপোর্ট হল ডিজিটাল পাসপোর্ট পরিষেবা। দেখতে সাধারণ পাসপোর্টের মতো হলেই এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক উন্নত। নতুন পাসপোর্টের আবেদনকারী বা পুরোনো পাসপোর্ট রিনিউয়ালের আবেদনকারী, উভয়েই এই নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পেতে পারেন।

সাধারণ পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্টের পার্থক্য : E-পাসপোর্ট সাধারণ পাসপোর্টের মতোই দেখতে হলেই এর পার্থক্য থাকছে কভার পেজে। ই-পাসপোর্টের কভারের এই নিচে একটা ছোট চিপ (Chip) থাকছে। যা এই পাসপোর্টের শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য। এই চিপের মধ্যে পাসপোর্ট ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য লুকানো থাকবে। এই ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে থাকছে – বায়োমেট্রিক ডেটা (Biometric Data, আঙুলের ছাপ (Fingerprints)।
এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত পরিচিতি সংক্রান্ত তথ্য।

এই পাসপোর্টের সুবিধা হলো –

১) পাসপোর্টের নিরাপত্তা বহুগুণ বেড়ে যায়.
২) জাল পাসপোর্ট তৈরি করা প্রায় অসম্ভব।
৩) ইমিগ্রেশন কাউন্টারে যাত্রী যাচাই করা দ্রুত হবে।

ই-পাসপোর্টের খরচ : – উন্নত প্রযুক্তির এই পাসপোর্টের জন্য হয়তো বেশি টাকা খরচ পড়বে না। ই-পাসপোর্টের ফি আগের মতোই থাকছে। আবেদনকারীদের পকেটের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে ৩৬ পাতার বুকলেটের পাসপোর্টের খরচ ১৫০০ টাকা এবং
৬০ পাতার বুকলেটের পাসপোর্টের খরচ ২০০০ টাকা।

আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি তথ্য : সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে ভোটার কার্ড বা আধার কার্ড বা প্যান কার্ড। জন্মের প্রমাণপত্র হিসাবে বার্থ সার্টিফিকেট।

কীভাবে আবেদন করবেন?

E-পাসপোর্ট আবেদন অফলাইন এবং অনলাইন উভয়ভাবেই সম্ভব। তবে অনলাইনে আবেদন করা সুবিধাজনক। দেখে নিন কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবেন। প্রথমে পাসপোর্টের অফিসিয়াল সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। তারপর ই-মেইল বা ফোন নং দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে, আর যদি অলরেডি রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে সরাসরি লগইন করতে হবে। তারপর সমস্ত তথ্য দিয়ে অনলাইনে ফর্মটি পূরণ করতে হবে এবং নির্দিষ্ট নথিপত্রগুলি আপলোড করতে হবে। ফর্ম জমা সাবমিট করার পর নিকটবর্তী পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র (PSK) বা পোস্ট অফিসে গিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। এরপর ঐ কেন্দ্র থেকে আপনাকে দিন দেওয়া হবে। নির্ধারিত দিনে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। তার সাথে নথিপত্র যাচাই বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া পূর্ণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়া সফল হওয়ার পর হবে পুলিশ ভেরিফিকেশন। এরপরই আপনার কাজ শেষ। কিছুদিন পর আপনার ই-পাসপোর্টটি পোস্টের মাধ্যমে সরাসরি আপনার বাড়িতে চলে যাবে।

karmasathi.in@gmail.com

karmasathi.in প্রতিদিন আপনাদের জন্য নিয়ে আসে সরকারি চাকরি, সরকারি যোজনা, স্থানীয় খবর ও প্রশিক্ষণ আপডেট। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সহজ ভাষায় সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দিতে, যাতে আপনারা সব গুরুত্বপূর্ণ খবর সবার আগে পান। karmasathi.in-এর সঙ্গে থাকুন, সবসময় থাকুন আপডেট ও এগিয়ে!

Related Articles

Back to top button